বাংলা ভৌতিক গল্প : ডাইনীর প্রতিশোধ প্রথম পর্বে আমরা দেখেছিলাম, তান্ত্রিক আনন্দনাথ কীভাবে ডাইনীর কবল থেকে কন্দর্পবাহাদুরের ছোট ছেলেকে উদ্ধার করেছিলেন । কিন্তু ডাইনী তখনো পুরোপুরি নিস্তেজ হয়নি, তখনো সে গ্রাম ছেড়ে যায়নি । তার প্রতিশোধের আগুন তখনো জ্বলছে । তান্ত্রিক জানিয়েছিলেন যে, রানীমার ব্যবহৃত কোনো জিনিস ছাড়া ডাইনীকে চিরতরে তাড়ানো সম্ভব নয় । এবারের পর্বে পড়ুন সেই চূড়ান্ত লড়াইয়ের কাহিনী — কিভাবে তান্ত্রিক প্রাসাদে গিয়ে ডাইনীর অস্তিত্ব চিরতরে নিশ্চিহ্ন করলেন ।

বাংলা ভৌতিক গল্প ডাইনীর প্রতিশোধ-য়ের জমিদার বাড়ি

সকালের আগমনী

পরের দিন সকাল হতেই গ্রামে যেন এক অজানা উত্তেজনা । রোদ উঠেছে, কিন্তু সেই রোদও যেন সেই পুরোনো জমিদারবাড়ির অন্ধকার ভেদ করতে পারছিলো না । কন্দর্পবাহাদুর বাড়ির প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ইতস্তত পায়চারি করছেন । তাঁর স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে ভেতরে বসে আছেন, তার  ছেলের কপালে তান্ত্রিকের দেওয়া বিভূতির টীকা তখনো উজ্জ্বল ।

গ্রামের মানুষেরা একে একে ভিড় জমিয়েছে বাড়ির সামনে । সবাই উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে তান্ত্রিক আনন্দনাথের জন্য ।

ঠিক সকাল আটটায় দূর থেকে দেখা গেল তান্ত্রিককে । তিনি পায়ে হেঁটেই আসছিলেন, গায়ে গৈরিক বস্ত্র, কাঁধে একটা ঝোলা । গ্রামের মানুষেরা তাঁকে দেখে এগিয়ে গিয়ে প্রণাম করলো । তান্ত্রিক শুধু হাত তুলে আশীর্বাদ করলেন এবং কন্দর্পবাহাদুরের দিকে এগিয়ে গেলেন ।

"আমি এসে গেছি । এখন আর দেরি নয়, চলো শুরু করা যাক ।" তান্ত্রিকের কণ্ঠে ছিল অটল আস্থা এবং দৃঢ়প্রত্যয় ।

কন্দর্পবাহাদুর হাত জোড় করে বললেন, "বাবা, আপনিই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু আমি জানতে চাই, আসলে কী করতে হবে? এই বাড়িতে কী এমন আছে যা আপনাকে দিতে হবে ?"

তান্ত্রিক গম্ভীর হয়ে বললেন, " আপনাদের দিতে হবে না, আমি খুজে নেবো । রানীমার ব্যবহৃত কোনো জিনিস । তাঁর হাতের ছোঁয়া লাগা কোনো বস্তু । যে মেয়েটি আজ ডাইনী হয়েছে, সে ছিল এক নির্যাতিতা গর্ভবতী । কিন্তু রানীমা ছিলেন সম্পূর্ণ আলাদা—তিনি ছিলেন একজন দয়াময়ী, স্নেহময়ী নারী । সেই দয়াময়ীর কোনো স্পর্শ বা ব্যবহৃত জিনিস যদি আমরা ডাইনীর ওপর প্রয়োগ করতে পারি, তবে তার প্রতিশোধের আগুন নিভে যাবে । কারণ রানীমা কখনো কারও ওপর অত্যাচার করেননি, উল্টে তিনি সবাইকে ভালোবেসেছেন, দয়া করেছেন, সাহায্য করেছেন । সেই ভালোবাসার স্পর্শই একমাত্র ডাইনীর ঘৃণাকে জয় করতে পারে ।"

প্রাসাদের ভেতরে

গ্রামের এবং বাড়ির সবাইকে তিনি নিষেধ করলেন, উপরের অন্দরমহলে না যেতে । তান্ত্রিক একা একা প্রবেশ করলেন সেই পুরোনো প্রাসাদের উপরতলায় । উপরে উঠে ঘরের ভেতরে পা দিয়েই তিনি বুঝতে পারলেন, পরিবেশটা ভারী । সূর্যের আলো জানলা দিয়ে ঢুকলেও যেন ঘরের কোণে কোণে জমে আছে ঘন অন্ধকার । বাতাসে মোম, পুরানো কাঠ আর এক অন্যরকম সোঁদা গন্ধ মিশে আছে । তাঁর চোখে যেন তিনি এক অন্য জগৎ দেখতে পাচ্ছিলেন । তিনি যেন দেখতে পাচ্ছিলেন, বিভিন্ন ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এক নারীমূর্তি—কালো পোশাক, জ্বলন্ত চোখ, সর্বত্র ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর হাহাকার করছে ।

তান্ত্রিক ধীরে ধীরে বাড়ির অন্দরমহলের দিকে এগোতে লাগলেন । প্রাসাদের সেই অংশটা ছিল একসময় রানীমার শয়নকক্ষ । দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে তিনি থমকে দাঁড়ালেন । ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে সেই ডাইনী । তার চোখ থেকে রক্তের মতো লাল আভা বেরোচ্ছে । সে ফিসফিস করে বলল, "আনন্দনাথ, তুই এখানে কেন এসেছিস ? তোকে আমি সতর্ক করেছিলাম । তুই বাধা দিলে তোকে আমি ধ্বংস করে দেবো।"

তান্ত্রিক নির্ভয়ে বললেন, "আমি তোকে ভয় পাই না । তুই চিরকাল ভয় দেখিয়ে মানুষকে তাড়িয়েছিস । কিন্তু আজ আমি তোকে মুক্তি দিতে এসেছি ।"

ডাইনী হো হো করে হাসলো । তার হাসি যেন ঘরের চার দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে ফিরে ঘুরে বেড়াতে লাগলো প্রাসাদময় । "মুক্তি ? আমি মুক্তি চাই না । আমি চাই প্রতিশোধ । যেদিন আমি আগুনে পুড়ে মরি, সেদিন পেটে ছিল আমার সন্তান । আমি আমার মধ্যেই সন্তানের মৃত্যু অনুভব করেছি । আমি কি তাদের সহজে ছেড়ে দেবো ভেবেছিস ?"

তান্ত্রিক বুঝতে পারলেন, এই ডাইনী শুধু প্রতিশোধ নয়, তার মাতৃহৃদয়ের ব্যথাতেও জ্বলছে । তিনি নরম সুরে বললেন, "তোর সন্তানের কী হয়েছিল?"

ডাইনীর কণ্ঠ কেঁপে উঠল। "সেও আমার সঙ্গেই, আমার মধ্যেই পুড়ে মরে । আগুনের শিখায় আমার মধ্যে তার ক্ষীণ কান্না আমি আজও শুনতে পাই । আমি নির্বংশ করে দেবো এই বংশকে, যেমন তারা আমায় নির্বংশ করেছে । আমায় দিয়েছে এমন আগুন-যন্ত্রণা, যা আমি এখনও বয়ে বেড়াচ্ছি প্রতিনিয়ত ।"

রানীমার চিহ্ন

তান্ত্রিক ঘরের চারপাশে কিছু খুঁজতে লাগলেন । পুরোনো আসবাব, ভাঙা আয়না, ধুলো-মাকড়সার জালে ঢাকা পোশাক । কোথাও কিছু নেই । ডাইনী তাঁর চারপাশে ঘুরঘুর করছে, ক্ষণে ক্ষণে ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে । কিন্তু তান্ত্রিকের সাধনার শক্তির জোরে সে তার কাছে আসতে পারছিলো না ।

হঠাৎ তান্ত্রিকের নজর গেল ঘরের এক কোণে রাখা একটি পুরোনো পেটির ওপর । পেটিটি কাঠের, তার ওপর    খোদাই করা বিভিন্ন ফুলের নকশা । তিনি ধীরে ধীরে পেটিটি খুললেন । ভেতরে কী আছে?

পেটির ভেতর ছিল কিছু পুরোনো শাড়ি, আর তার নিচে একটি ছোট্ট রুপার বাক্স । বাক্স খুলতেই দেখা গেল, ভেতরে একটি হাতির দাঁতের চিরুনী আর একটি ছোট আয়না । চিরুনীটির হাতলে খোদাই করা ছিল একটি নাম — "রানীমা"।

ডাইনী তার পাশে এসে চিৎকার করে উঠলো । "ওটা কী? ওটা তোকে আমি স্পর্শ করতে দেবো না!" বলে যেন ডাইনী তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্যত হলো ।

কিন্তু তান্ত্রিক ততক্ষণে চিরুনীটি হাতে তুলে নিয়েছেন। চিরুনী হাতে নিতেই তান্ত্রিক অনুভব করলেন এক অদ্ভুত শান্তি । মনে হলো, কেউ যেন তাঁর কানে কানে বলছে, "আমার এই চিরুনী দিয়ে ওর মাথার চুল আঁচড়ে দাও । ওর ব্যথা কমবে – ও শান্তি পাবে ।"

চূড়ান্ত লড়াই

ডাইনী ক্ষিপ্ত হয়ে  ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়ে তান্ত্রিকের দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো, কিন্তু কিছুতে যেন বাধা পেয়ে আবার ছিটকে পিছিয়ে যাচ্ছিলো । ঘরের বাতাস হঠাৎ বরফের মতো ঠাণ্ডা হয়ে যেতে লাগলো । দেওয়ালগুলো যেন কাঁপতে শুরু করলো । ডাইনীর চোখ দিয়ে যেন আগুন বেরোতে লাগলো ।

তান্ত্রিক অটল-অবিচল হয়ে উচ্চস্বরে মন্ত্র পড়তে শুরু করলেন । তাঁর হাতে থাকা চিরুনীটি থেকে মৃদু আলো বেরোতে লাগলো । সেই আলো বাড়তে বাড়তে ঘরময় ছড়িয়ে পড়তে লাগলো ।

ডাইনী যেন সেই আলোতে ক্ষয়ে যেতে লাগলো । সে চিৎকার করে বলল, "এই আলো কীসের ? ওই আলো যেন আমায় ক্ষইয়ে দিচ্ছে, আমার সব শক্তি যেন শুষে নিচ্ছে । আমার ভেতরটা যেন ঠান্ডা করে দিচ্ছে ।"

তান্ত্রিক বললেন, "এটা রানীমার চিরুনী । যে তোমার ওপর অত্যাচার করেছিল, সে ছিল বীরবাহাদুর। কিন্তু এই চিরুনীর মালিক ছিলেন তার স্ত্রী—যে নারী তোমার মতোই এক সময় নিঃসঙ্গ ছিল, যে তোমার মতোই কষ্ট পেয়েছে, কিন্তু সবাইকে সে ভালোবেসেছে, তাদের ভালো চেয়েছে, ভালো করেছে । তার স্পর্শই তোমার ভেতরের ঘৃণা শোষণ করবে ।"

ডাইনী মাটিতে লুটিয়ে পড়লো । তার রূপ বদলাতে লাগলো । আগুনের শিখার মতো ভয়ঙ্কর শরীর ক্ষয়ে গিয়ে যেন তার প্রকৃত রূপ ফুটে উঠল—একজন সাধারণ গ্রাম্য নারী, পরনে শাড়ি, পেটে সন্তান । তার চোখ থেকে জল পড়ছে ।

সে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বললো, "আমি... আমি এসব কী করেছি? এতগুলো প্রাণ... এতগুলো হত্যা... আমি এসব কী করেছি?"

তান্ত্রিক ধীরে ধীরে তার কাছে গেলেন । চিরুনীটি দিয়ে তার মাথায় বুলিয়ে দিতে লাগলেন । বললেন, "তুই কিছু করিসনি । তোর ভেতরের জ্বালা, মা হিসাবে তোর সন্তানের জন্য বেদনা, যন্ত্রণা—সেটাই তোকে দিয়ে এসব কাজ করিয়েছে । কিন্তু এখন তুই শান্তিতে যেতে পারিস । তোর সন্তান কোথাও হয়তো তোর জন্যই অপেক্ষা করছে ।"

ডাইনী শান্ত হয়ে এলো । তার শরীর থেকে ধীরে ধীরে আলোর ছটা বেরোতে লাগলো । সেই আলো ক্রমশ উজ্জ্বল হতে হতে পুরো ঘর ভরে গেলো । তার মুখে দেখা দিল এক অদ্ভুত শান্তির হাসি ।

তার শেষ কথাগুলো ছিল, "আমি... আমি চলে যাচ্ছি । কিন্তু এই বাড়ির মানুষেরা... তাদের জানাবে, বীরবাহাদুরের বংশধররা যে শুধু অত্যাচারী ছিল না, তাদের মধ্যে এক দয়ালু রানীমা্ও ছিলো । সেই রানীমার দয়ার স্পর্শেই আজ আমি মুক্তি পেলাম । তোমরা আমায় ক্ষমা কোর । বংশের শেষ সন্তানটিকে আমার আশীর্বাদ রইলো ।"

মুক্তি ও সমাপ্তি

আলো মিলিয়ে গেলে ঘর আবার আগের রূপ নিলো । কিন্তু ডাইনী আর সেখানে ছিল না । ঘর থেকে চলে গেল সেই জমাট অন্ধকার আর হাহাকার, সেই ঠাণ্ডা বাতাস । বরং ঘর ভরে গেল এক অপূর্ব শান্তিতে ।

তান্ত্রিক বাইরে এসে সবাইকে ডাকলেন । কন্দর্পবাহাদুর, তাঁর স্ত্রী, ছেলে আর গ্রামবাসীরা সবাই ভেতরে এলো । তারা দেখল, ঘর এখন পরিষ্কার, আলোকিত । সারা ঘরময় যেন মুক্তির বাতাস খেলা করে বেড়াচ্ছে । কোথাও আর ভয়ের কোন ছায়া নেই ।

কন্দর্পবাহাদুর বিস্মিত হয়ে তান্ত্রিককে জিজ্ঞেস করলেন, "বাবা, কী করলেন আপনি? ডাইনী কোথায়?"

তান্ত্রিক হাসলেন । "ডাইনী আর নেই । সে মুক্তি পেয়েছে । আর তার শেষ ইচ্ছে ছিল, তোমাদের বংশকে আশীর্বাদ করা । এখন থেকে এই বাড়িতে আর কোনো ভূত-প্রেত থাকবে না । তোমরা নিশ্চিন্তে থাকতে পারো ।"

গ্রামের মানুষজন আনন্দে আত্মহারা । তারা তান্ত্রিকের পা ধুইয়ে প্রণাম করলো । কন্দর্পবাহাদুর তাঁকে বহুমূল্য উপহার দিতে চাইলেন, কিন্তু তান্ত্রিক তা নিলেন না । তিনি শুধু বললেন, "তোমরা রানীমার চিরুনিটি যত্ন করে রেখো । ওটাই এই বাড়ির সবচেয়ে বড় সম্পদ । ওঁকে প্রতিদিন প্রণাম কোর, আর স্মরণ কোর সেই নারীকে, যার ভালোবাসা-দয়ার পরশ আজ এক ডাইনীকেও মুক্তি দিয়েছে । আর মনে রেখো তার আদর্শকে, মানুষকে ভালোবাসা দিও, তাকে সাহায্য কোর ।"

 

শেষ কথা

সেই দিনের পর থেকে লামডিং গ্রামে আর কোনো অশান্তি নেই । জমিদারবাড়ি এখন পরিপূর্ণ জীবন-উৎসবে মুখর । গ্রামের মানুষজনের সেখানে অবারিত দ্বার । কন্দর্পবাহাদুর সরকারি অনুমোদন নিয়ে জলাধার নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছেন । তাঁর ছেলে এখন একদম সুস্থ, দুষ্টুমিতে ভরপুর, গ্রামের ছেলেদের সঙ্গে খেলায় মেতে ওঠে সে । বাড়ির অন্দরমহলে একটি বড় ঘরে মন্দিরের বিগ্রহের মতো করে রানীমার চিরুনিটি রেখে দেওয়া হয়েছে । প্রতিদিন সকালে বাড়ির সবাই সেখানে প্রদীপ জ্বালায়, এমনকি গ্রামের মানুষজনরাও এসে প্রণাম করে যায় । আর মনে করে—যে নারী অত্যাচারিত হয়ে ডাইনী হয়ে উঠেছিল, তাকেও শেষ পর্যন্ত ভালোবাসাই জয় করেছিলো ।

 

 

তবে এই গল্প কি সত্যিই এখানেই শেষ? নাকি কখনো কখনো রাতে, যখন পুরোনো প্রাসাদের ছাদে চাঁদের আলো পড়ে, তখন মনে হয়, যেন কে যেন মৃদু হেসে ওঠে । হয়তো রানীমা, হয়তো সেই ডাইনী—যে শেষ পর্যন্ত শান্তি পেয়েছে ।

 

এবার তো জানলেন কীভাবে ডাইনী চিরতরে প্রাসাদ থেকে তাড়ালেন তান্ত্রিক । কিন্তু এই বাড়িতে কি আদৌ কোনো ভৌতিক ঘটনা আবার ঘটবে না? হয়তো থাকতে পারে আরও কোন রহস্য, যা এখনো অজানা । তার জন্যও কিন্তু “গল্পের ঝুলি”তে ভবিষ্যতে জায়গা থাকবে । পড়তে থাকুন, আর হ্যাঁ, আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না । ডাইনীর চরিত্রটি আপনার কেমন লেগে ছিল? কমেন্ট করে জানান ।

 

যদি গল্প ভালো লেগে থাকে, তাহলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন । কারণ ভৌতিক গল্প একা পড়ার চেয়ে বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার মজাই আলাদা !

 

এই গল্পের প্রথম পর্ব পড়তে ক্লিক করুন – বাংলা ভৌতিক গল্প : ডাইনীর প্রতিশোধ - আতঙ্ক ও রহস্যের কাহিনী (পর্ব - ১) 


আরো গল্প পড়তে এবং ভিন্ন স্বাদের অনুভূতি পেতে ক্লিক করুন – 

# ভালোবাসার গল্প

# জীবন-অনুভূতির গল্প #

# রহস্য গল্প


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন